Home2019-04-16T20:09:01+06:00
  • কলা খাওয়ার সঠিক সময় কখন সকালে নাকি রাতে ?

    রাতে কলা খাওয়া ভালো নাকি খারাপ।  ফল খাওয়া নিয়ে বড়দের একটি পরামর্শ আমরা সবাই পেয়েছি। তা হলো রাতে ফল খেতে হয় না। কোনো চিন্তা না করে সবাই তা নিয়ম ধরেই নিয়েছি। বিশেষ করে রাতে কলা খেতে মানা করেন তারা। প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ এই ফল দেহের জন্যে দারুণ উপকারী। কিন্তু এটা রাতে খেলে কী সমস্যা? আসুন এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত জেনে নেয়া যাক। সঙ্গে রয়েছে আরো কিছু তথ্য। কলা খাওয়ার ব্যাপারে আয়ুর্বেদ বলে রাতে কলা খাওয়া বিপজ্জনক নয়। কলা একটি ঠাণ্ডা ফল। এজন্য যাদের ঠাণ্ডা-সর্দির সমস্যা আছে তাদের রাতে কলা না খাওয়াই ভালো। তাছাড়া কলা হজম হতে বেশ সময়

  • ঘন এবং লম্বা চুল পেতে রমণীদের করণীয়

    কিভাবে চুল এ অ্যালোভেরা ব্যাবহার করা হয়? অ্যালোভেরা চুলের অনেক সমস্যার প্রতিকার হিসাবে ব্যাবহার করা হয়।আপনি খুব সহজে বাসায় অ্যালোভেরা জেল তৈরি করতে পারবেন। একটি অ্যালোভেরা পাতা সংগ্রহ করে ছোট ছোট পিচ করে কেটে নিন।এরপর পাতার ভিতরের নরম আংশ বের করুন এবং ব্লেন্ড করুন। অথবা চামচ ব্যাবহার করেও আপনি জেল তৈরি করা সম্ভব। অ্যালোভেরা ব্যাবহারের কয়েকটি পদ্ধতি। ১. ক্যাস্টর অয়েল এবং অ্যালোভেরার ব্যাবহার উপকরনঃ ক. ১ কাপ ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল খ. ২ টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল গ. ২ টেবিল চামচ মেথিগুরা ঘ. শাওয়ার ক্যাপ ঙ. তোয়ালে প্রস্তুত কালঃ  ৫ মিনিট প্রস্তুত প্রক্রিয়াঃ ১. একটি বাটিতে সব উপকরন এক সাথে মিক্স করুন

  • “মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্র না।”

    ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনার উপর গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস (প্রথম পর্ব)

    পড়াশুনার উপর শিক্ষার্থীরা মেধাবী হোক আর দুর্বল হোক পড়াশুনার নিয়ে কোন না কোন কিছু সমস্যা থাকেই। কিছু সমস্যা আছে যা, সে নিজেই সমাধান করতে পারে আবার কিছু সমস্যা আছে সে নিজে সমাধান করতে পারে না। আর তার সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষক অথবা ভাল কোচিং সেন্টারের সাহায্য নিতে হয়। সমস্যা যাই হোক না কেন, কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয় নিজের অসচেতনতা কারণে, আবার কিছু সমস্যা মানসিকও কারণে। এছাড়া সমস্যা গুলো পারিবারিক অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগতও হতে পারে । সবাই মনে রাখবেন “মেধাবী ছাত্র মানে ভাল ছাত্র না।”  ভাল ছাত্র হতে হলে কিছু সব সময় সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করতে হয়। যদি আমরা

  • নবজাতক শিশুর জন্মের পর পর জন্ডিস হতে

    সদ্য জন্মজাত শিশুর জন্ডিস কেন হয়।আগে থেকে জানুন এবং সতর্ক থাকুন।

    শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ নবজাতক শিশুর জন্মের পর পর জন্ডিস হতে পারে। ৫০ শতাংশের বেলায় এটাকে বলে স্বাভাবিক জন্ডিস বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস। সাধারণ ক্ষেত্রে শিশুর যকৃৎ পুরোপুরি কর্মক্ষম হয়ে উঠতে একটু দেরি হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে জন্ডিস হয়ে থাকে।   জন্ডিস কেন হয়? স্বল্প ওজনে ভূমিষ্ঠ শিশু বা সময়ের আগে জন্ম নেয়া শিশুরা জন্ডিসে বেশি আক্রান্ত হয়। এ ছাড়া জন্ডিসের কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো ধরা হয়, তা হল- মা ও শিশুর রক্তের গ্রুপ যদি এক না হয়। শিশু সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ না পেলে, অনেক সময় একে ব্রেস্ট ফিডিং জন্ডিসও বলা হয়। গর্ভাবস্থায়

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া।

    সোশ্যাল মিডিয়া কি? সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকারক প্রভাব গুলো তুলে ধরা হল।

    বর্তমান সময়ে পৃথিবীকে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে যে প্রযুক্তি তার নাম দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া।এই সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের পুরোনো সেই দিন গুলোর কথা ভুলিয়ে দিয়েছে, যে কোন এককালে আমরা চাইলেই আমাদের প্রিয় জনের খোজ নিতে পারতাম না। আজ আর সেই সব দিন গুলো নেই। মানুষ সেই দিন গুলোকে মনেও করে না খুব একটা কারণ নিত্য নতুন প্রযুক্তি আমাদের সব কিছু কেই আপন করে দিয়েছে। আর এ কারনেই এই পর্বে সেই সকল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এর ফলে আমাদের যুবকদের মাঝে যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে তা তুলে ধরলাম।   আমরা জেনে নেই সোশ্যাল মিডিয়া কি? আমরা যাকে