×
হোম আন্তর্জাতিক জাতীয় খেলাধুলা জীবনযাপন চাকরির খবর তথ্যকোষ ই-ম্যাগাজিন
অনলাইন টুলস
টাইপিং টেস্ট CV মেকার ফটো রিসাইজার Age ক্যালকুলেটর AI কন্টেন্ট ডিটেক্টর প্লাজিয়ারিজম চেকার অন্যান্য টুলস লগইন

ভারতের ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ ঘোষণা এবং শান্তিপূর্ণ বিপ্লবের ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক

বিদেশ বার্তা | উপমহাদেশ | ১৫ আগস্ট, ২০২৬
News Image

ভারতের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, পরিবেশকর্মী ও সমাজ সংস্কারক সোনম ওয়াংচুক দেশটিতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তির আগেই ভারতের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

সোনম ওয়াংচুকের ভাষায়, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে আন্দোলন নয়; বরং দেশের নেতৃত্ব নির্বাচনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার জন্য একটি ‘শান্তিপূর্ণ বিপ্লব’।

ভিডিও বার্তায় তিনি দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এমন নিঃস্বার্থ, সাহসী ও সৎ মানুষ খুঁজে বের করতে হবে, যারা দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে পারবেন। তিনি সাধারণ মানুষকে এই আন্দোলনের জন্য একটি উপযুক্ত নাম দেওয়ারও আহ্বান জানান।

ওয়াংচুক দাবি করেন, ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা কমে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশটির অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর ফলে জনগণ এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি বড় ধরনের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

তিনি বিশেষভাবে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার শিক্ষাব্যবস্থার ওপর। তাই ভারতকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এর আগেও চলতি বছরের জুলাই মাসে শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় সোনম ওয়াংচুক তাঁর কর্মসূচিকে ভারতের ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। সে সময় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনে তিনি অনশনেও অংশ নেন।

১৯৬৬ সালে লাদাখে জন্ম নেওয়া সোনম ওয়াংচুক মূলত একজন প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ। পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা সংস্কার এবং লাদাখের অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি কাজ করে আসছেন। ২০১৮ সালে তিনি এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার লাভ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াংচুকের এই আহ্বান ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। কারণ, তিনি সরাসরি সরকার পরিবর্তনের কথা না বললেও নেতৃত্ব নির্বাচন ও শাসনব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবি তুলেছেন, যা দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

0 লাইক

আপনার মতামত দিন

মন্তব্য করতে লগইন করুন।

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।