২০২৬ সালের ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার ছিলেন; তাঁদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন।
- 1. প্রারম্ভিক জীবন
- 2. শিক্ষাজীবন
- 3. ছাত্ররাজনীতি
- 4. শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরি
- 5. ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান
- 6. বিএনপিতে যোগদান
- 7. জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- 8. মন্ত্রী হিসেবে
- 9. বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
- 10. বিরোধী দলের রাজনীতি
- 11. ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তন
- 12. ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- 13. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬
- 14. রাষ্ট্রপতি হিসেবে নতুন অধ্যায়
- 15. ব্যক্তিগত জীবন
- 16. সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড
প্রারম্ভিক জীবন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি তৎকালীন পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মির্জা ফখরুলের মা ছিলেন মির্জা ফাতেমা আমিন।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতি ও রাজনৈতিক জনজীবনের সাথে পরিচিত ছিল। তাঁর ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিনও ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তবে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক যাত্রা সরাসরি পারিবারিক রাজনীতির ধারাবাহিকতায় শুরু হয়নি। ছাত্রজীবনে তিনি বামপন্থী ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরবর্তী সময়ে শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরির জীবন পার করে পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
শিক্ষাজীবন
মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং ঢাকা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হন।
ছাত্ররাজনীতি
মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের প্রথম পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল ছাত্ররাজনীতি। তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃত্বে ছিলেন।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ওই সময়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলেছিল।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল তৎকালীন বামপন্থী ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে।
শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরি
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষ করার পর মির্জা ফখরুল শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন।
১৯৭২ সালে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য হিসেবে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বেও কাজ করেন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সঙ্গেও কাজ করেন।
১৯৭৯ সালের শেষ দিকে তিনি তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস. এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে আবার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান।
১৯৮৬ সালে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান
জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে যাওয়ার আগে মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হন।
১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিভিন্ন সূত্রে তাঁকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পৌর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন তাঁর রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে। এখান থেকেই স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় আরও দৃঢ় হয়।
বিএনপিতে যোগদান
১৯৯০-এর দশকের শুরুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় মির্জা ফখরুল বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯২ সালে তাঁকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। পরবর্তীতে তিনি দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ওঠার আগে তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনটির নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন
মির্জা ফখরুলের সংসদীয় রাজনীতির প্রধান আসন ঠাকুরগাঁও-১।
১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। উভয় নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে প্রথমবার জাতীয় সংসদে প্রবেশ করেন।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় পরে ওই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
মন্ত্রী হিসেবে
২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিসভায় যোগ দেন।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর মাধ্যমে স্থানীয় রাজনীতি ও দলীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি।
২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে মির্জা ফখরুলের উত্থান কয়েকটি ধাপে ঘটে।
২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাঁকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।
২০১১ সালের ২০ মার্চ তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন। প্রায় পাঁচ বছর এই দায়িত্ব পালনের পর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তিনি বিএনপির মহাসচিব হন।
২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়টি ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির দীর্ঘ বিরোধী দলীয় অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
বিরোধী দলের রাজনীতি
বিএনপির মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল দলটির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক মুখপাত্রে পরিণত হন।
শেখ হাসিনা সরকারের সময় বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন, নির্বাচন, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দলীয় অবস্থান তুলে ধরতে তিনি নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন ও রাজনৈতিক বক্তব্য দেন।
বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করতে হয়েছে। বিরোধী দলের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ সময়ের ভূমিকা তাঁকে বিএনপির অন্যতম পরিচিত জাতীয় নেতায় পরিণত করে।
তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্যে নির্বাচন, গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারের জবাবদিহি—এসব বিষয় নিয়মিত গুরুত্ব পেয়েছে।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তন
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে ব্যাপক রাজনৈতিক আন্দোলন ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনের পর দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের রূপান্তর আসে।
পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয় এবং ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি সরকার গঠন করে। মির্জা ফখরুলও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পান।
এই পর্যায় তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিরোধী দলের দীর্ঘ সময়ের পর সরকার পরিচালনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হওয়ার নতুন অধ্যায় তৈরি করে।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং নির্বাচিত হন।
নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তবে একই বছরের আগস্টে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক জীবনে আবার বড় পরিবর্তন আসে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬
২০২৬ সালের জুলাইয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজন হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী করে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সমর্থনে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রার্থী হন।
২০ আগস্ট ২০২৬ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ভোটের ফলাফল ছিল:
| প্রার্থী | প্রাপ্ত ভোট |
|---|---|
| মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর | ২৫৫ |
| কর্নেল (অব.) অলি আহমদ | ৮৮ |
| মোট ভোট | ৩৪৩ |
| মোট ভোটার | ৩৪৯ |
মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোটার থাকলেও ভোট দেন ৩৪৩ জন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেরও আয়োজন হয়।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে নতুন অধ্যায়
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ দলীয় রাজনৈতিক জীবনে একটি মৌলিক পরিবর্তন আসে।
বিএনপির মহাসচিব হিসেবে তিনি সরাসরি দলীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে ছিলেন। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর ভূমিকা সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর সামনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করা।
ব্যক্তিগত জীবন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তাঁদের দুই মেয়ে—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ।
মির্জা শামারুহ চিকিৎসাবিজ্ঞান-সংক্রান্ত গবেষণার সঙ্গে যুক্ত এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহ শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন জীবনীমূলক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড
মির্জা ফখরুলের জীবনে রাজনীতির পাশাপাশি সংস্কৃতিরও একটি অধ্যায় রয়েছে। ছাত্রজীবন ও পরবর্তী সময়ে তিনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তাঁর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। ২০২৬ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরাও তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের এই দিকটি স্মরণ করেন।