You are here:--যুক্তরাষ্ট্র

ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বলিউডি প্রোপাগান্ডা

ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বলিউডি প্রোপাগান্ডা প্রোপাগান্ডা; বহুল প্রচলিত একটি ইংরেজি শব্দ। আভিধানিকভাবে এর অর্থ হলো,রাজনৈতিক স্বার্থ বা দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের উদ্দেশে ইচ্ছাকৃতভাবে সৃষ্ট বা বিকৃত কোনো পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য। গণমাধ্যমকে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের যে উপাদানটি মুখ্য ভূমিকা পালন করে, তা হলো চলচ্চিত্র। বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশেই, বিশেষত যেসব দেশে বাক-স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার চর্চা করা হয়, সেখানে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা প্রচারের চেষ্টা করা হয়ে থাকে। কিন্তু ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বলিউডের চলচ্চিত্রে যেভাবে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, তা রীতিমতো অভূতপূর্ব একটি বিষয়। চলচ্চিত্রকে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে এত বৃহৎ পরিসরে ব্যবহারের দ্বিতীয় কোনো দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না।

ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বলিউডি প্রোপাগান্ডা2019-04-27T20:48:49+06:00

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন যারা মানসিক সমস্যা নিয়েও

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন যারা মানসিক সমস্যা নিয়েও   ডোনাল্ড ট্রাম্প; Image Source: Psychology Today যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকান্ড ও কথাবার্তা দেখে তাকে আপনার 'পাগল' কিংবা 'বদ্ধ উন্মাদ' মনে হয়? চিন্তার কিছু নেই। এ তালিকায় আপনি ছাড়াও আছে আরো অসংখ্য ব্যক্তি। ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, নিরপেক্ষ সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সাধারণ মানুষ, এমনকি নামকরা মনোবিদদের মধ্যে অনেকেও মনে করে, মানসিক সমস্যায় ভুগছেন ট্রাম্প। তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগটি হলো, তার মধ্যে নার্সিসিস্টিক পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার রয়েছে। অনেকে আবার তাকে সাইকোপ্যাথ হিসেবেও চিহ্নিত করে থাকে। ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রকাশনা জগতে একটি সাব জনরারও জন্ম    হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে দ্য ডেঞ্জারাস কেস অব ডোনাল্ড ট্রাম্প: টুয়েন্টি সেভেন সাইকিয়াট্রিস্টস অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ এক্সপার্টস অ্যাসেস এ প্রেসিডেন্ট, রকেট ম্যান:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন যারা মানসিক সমস্যা নিয়েও2019-04-27T20:22:58+06:00

আমেরিকা-সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিযোগিতা ও প্রজেক্ট মারকিউরি

১৯৫০-এর দশকের শেষদিকের কথা, বৈশ্বিক রাজনৈতিতে তখন বেশ টান-টান উত্তেজনা চলছে। দুই পরাশক্তি আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধ, গোটা পৃথিবীকে মোটামুটি দুই শিবিরে বিভক্ত করে ফেলছে বলা যায়। সরাসরি কোনো যুদ্ধ না হলেও, সব ক্ষেত্রেই চলছিল তাদের তুমুল প্রতিযোগিতা। আর এক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ছিল তাদের অন্যতম হাতিয়ার। বিশেষ করে মহাকাশ জয়ের প্রতিযোগিতায় দুই পক্ষ যেভাবে উঠে পড়ে লেগেছিল, তা বিজ্ঞান-প্রেমীদের জন্যে বেশ আকর্ষণীয় বিষয় হয়ে উঠেছিল। প্রথম মাইলফলকটি সোভিয়েত-ই অতিক্রম করে। ১৯৫৭ সালের ৪ই অক্টোবর, পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হিসেবে মহাশূন্যে পাড়ি জমায় স্পুটনিক। এদিকে আমেরিকার কংগ্রেসে এ নিয়ে তুমুল শোরগোল উঠে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়ন এভাবে তাদের পেছনে ফেলে দিচ্ছে, এটা কি মেনে নেওয়া যায়? কয়েকজন রাজনীতিবিদ তো এটাকে জাতীয় নিরাপত্তার

আমেরিকা-সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিযোগিতা ও প্রজেক্ট মারকিউরি2019-04-16T20:07:27+06:00